অবাধ্যতার ইতিহাস
লেখক : ডা. শামসুল আরেফীন প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশন পৃষ্ঠা : 256, কভার : পেপার ব্যাক যেভাবে আর যে কারণে ধ্বংস হয়েছে পূর্বের অনেক সভ্যতা, যেভাবে মানুষকে বরণ করতে হয়েছিলো আল্লাহর অনিবার্য আযাব—তার আদ্যোপান্ত জানতেই ‘অবাধ্যতার ইতিহাস’ বইটি। মোটকথা, কীভাবে আমরা ইউরোপীয় চিন্তাগুলোকে গ্রহণ করে আমাদের দ্বীন ছেড়ে দিয়েছি। তার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এই বইতে।
কুরবানি নিয়ে যত প্রশ্ন
লেখক : ডা. শামসুল আরেফীন প্রকাশনী : চেতনা প্রকাশন ধর্ম বলবে মমতার কথা,দয়ার কথা। এ কেমন ধর্ম,যা প্রাণ হত্যার কথা বলে? ঠিক আছে,প্রাণী হত্যা করা যাবে; কিন্তু প্রাণ হত্যা করে উৎসব কেন! কারও জীবন কেড়ে নিয়ে উৎসব — এটা কেমন নৈতিকতা! ইসলাম কত নির্মম ধর্ম,কত অমানবিক! মানবিক মানে ‘যা মানুষের মানায়’। অমানবিক মানে ‘মানুষের যা মানায় না’,’যা মানুষের করা উচিত না’। তার মানে,প্রাণীকে হত্যা করা মানুষের মানায় না,মানুষ হিসেবে এটা করা উচিত না। এসব প্রশ্ন যারা করে তাদের মূল উদ্দেশ্য ইসলামের বিরোধিতা করা। এদের নিজেদের কোনো স্থিরতা নেই। এরা দাবি করে নিজেরা বিবিজ্ঞাননমননস্ক,অথচ এদের উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে গেলে বিবিজ্ঞানকেও আর গুণবে না।
কুররাতু আইয়ুন ২ (যে জীবন জুড়ায় মনন)
লেখক : ডা. শামসুল আরেফীন প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আসলাফ পৃষ্ঠা : 176, কভার : পেপার ব্যাক কুররাতু আইয়ুন-১ : যে জীবন জুড়ায় নয়ন। মুড়ি-মুড়কির মতো সে বই পাঠকের প্রিয়তা ও ভালোবাসা পেয়েছিলো; আজও সে ধারা এতটুক ক্ষুণ্ণ হয়নি। অসংখ্য মানুষ পালটে ফেলেছিলো জীবনের অভিমুখ, আজও পাল্টায়। আমরা মুগ্ধচোখে দেখি, রচনার গুণে এ যুগেও ঘর-সংসার এমনকি জীবনেও লাগতে পারে পরকালের সোনারঙ… সেই ধারাবাহিকতায় লেখকের এবারের রচনা─কুররাতু আইয়ুন-২ : যে জীবন জুড়ায় মনন। এই বই পড়ে পাঠকের মনে হবে—মানুষ ইসলাম জানে না, আমি কী করলাম জীবনে; কোনো দিন কি দাওয়াত দিয়েছি? পড়তে পড়তে মরমে মরে যাবেন আর নতুন উজ্জীবনে এক দাওয়াতি জীবন শুরু হবে আপনার।নারীর প্রতি জীবনে যত অবহেলা, যা কোনো দিন দেখতে পান না, যাদেরকে কেবল মনে করেন—সমস্যার সার, ভাবেন—ফেতনা, বই পড়তে পড়তে দেখবেন, নারীকে কোনো দিন ভালো তো বাসেনইনি, সুবিচারও করেননি তার অধিকার বিষয়ে; দেখবেন, আল্লাহর আদালতে দাঁড়িয়ে আছেন অপরাধী হয়ে।জীবনে ঢুকে পড়েছে অশ্লীলতার নীল ছায়া, বের হতে পারছেন না? খ্যাতি আর মোহ যে লজ্জাহীনভাবে জেঁকে ধরেছে, জানেনই না সে কথা? দ্বীনই আসল ও মূল জানেন, তবু নানা প্রয়োজন ও ‘কিছু জিনিসের দরকার আছে’-র পাল্লায় পড়ে দ্বীনের খেয়ানত করতে থাকেন? বাচ্চা বিগড়ে যাচ্ছে, স্ত্রীকে দেখতে পারেন না, বুজুর্গদের জীবন মনে হয় রূপকথা? প্রিয় বন্ধু, জীবনে একটুও সময় নেই? বাসে ঢুলতে ঢুলতে, রিকশার জ্যামে বসে, ‘জরুরি’ ব্রাউজিংয়ের দশ মিনিট বাঁচিয়ে—মোটের ওপর একটু অবসর করে বইটি হাতে নিন; তারপর, বই কথা বলবে।
মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা
লেখক : ডা. শামসুল আরেফীন প্রকাশনী : চেতনা প্রকাশন পৃষ্ঠা : 152, কভার : পেপার ব্যাক, কেমন হবে একজন খাঁটি মুমিনের ক্যারিয়ার? কী হবে তার জীবনের লক্ষ? ক্যারিয়ার মানেই আমরা বুঝি টাকা এবং সম্মান। ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ সম্মান খোঁজে, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ টাকা খোঁজে। কিন্তু ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে সম্মান খোঁজা, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে টাকা খোঁজা, এটা মুমিনের লক্ষ হতে পারে না। কারণ, মুমিন বিশ্বাস করে, টাকা আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। রিজিক আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে এবং সম্মানও আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। আল্লাহ তাআলা রিজিকেরও মালিক, সম্মানেরও মালিক। এটা আল্লাহ তাআলা যে কাউকে ক্যারিয়ার ছাড়াই দিতে পারেন, এটা আমাদের বিশ্বাস। সুতরাং আমাদের ক্যারিয়ারটা হবে অন্যান্য মানুষের চেয়ে আলাদা। একজন মুমিনের ক্যারিয়ার হবে মূলত দুইটা উদ্দেশ্যে, একটা হচ্ছে দাওয়াহ, আরেকটা হচ্ছে, সাদাকাহ। একজন মুমিন উপরে উঠবে, অনেক উপরে উঠবে। একজন মুমিন সম্পদ উপার্জন করবে, অনেক সম্পদ উপার্জন করবে, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তার লক্ষ্য থাকবে দুইটা। একটা হচ্ছে, সদাকাহ করা, এবং দুই নম্বরে হচ্ছে, দাওয়াহ করা। দ্বীনের দাওয়াহ করা। মানুষের কাছে দ্বীনটাকে উপস্থাপন করা।